• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

দেশে সাংবিধানিক সংকট তৈরির পাঁয়তারা চলছে: সালাহউদ্দিন

সিসি নিউজ ডেস্ক।। দেশে অনেক রকমের সাংবিধানিক সংকট তৈরির পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। সংকট সৃষ্টি করে ‘পতিত ফ্যাসিবাদের’ দোসরেরা যাতে সুযোগ না নিতে পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখা আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসনের শিকার ও জুলাই আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ের লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আজ অনেক রকমের সাংবিধানিক সংকট তৈরি করার পাঁয়তারা চলছে। সাংবিধানিক সংকট যদি হয়, রাষ্ট্রীয় সংকট যদি হয়, রাজনৈতিক সংকট যদি হয়, সেই রাজনৈতিক সংকটের পেছনে কী শক্তি আছে, সেটা আগে আমাদের বিশ্লেষণ করতে হবে। তার ফলাফল কী হবে, তা বিশ্লেষণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘যাতে কোনো রাষ্ট্রীয় সংকট সৃষ্টি না হয়, যাতে আমাদের সাংবিধানিক কোনো সংকট শুরু না হয়ে যায় এবং সেই সাংবিধানিক সংকট সামনে রেখে ফ্যাসিবাদ ও পতিত ফ্যাসিবাদের দোসরেরা যাতে কোনো সুযোগ না নিতে পারে, সেই বিষয়ে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।’

সভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের দুঃখগুলোকে নিতে পারব না। সেখানে অন্তত ৫০ জন কালো চশমা পরা ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলেছেন আমরা দুনিয়ার আলো দেখতে পারি না।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘তরুণেরা বুকের রক্ত দিয়ে জাতিকে পথ দেখিয়েছেন। মুক্তির আন্দোলনের শুরু হয়েছে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর, যার পরিণতি হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। কেউ কল্পনা করেনি বাংলাদেশে, এমন একটি পরিস্থিতি হবে। আমরা বা কোনো রাষ্ট্রবিজ্ঞানীও বলতে পারেনি।’

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্তকরণ, শহীদ পরিবারের সদস্যদের যোগ্যতা অনুসারে অন্তত একজনকে চাকরির দাবি জানান তিনি।

দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘মানুষ হত্যা করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা যায় না—তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য রক্ত দিতে হয়, জীবন দিতে হয় ও লড়াই করতে হয়। আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমেই মানুষের মুক্তি নিশ্চিত হবে।’

সভায় শহীদ পরিবার, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্য ছাড়াও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আরও বক্তব্য দেন এলডিপি মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমদ, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ অন্যরা। এ ছাড়া সভায় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুমসহ কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তর-দক্ষিণের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ